আজকাল আমাদের মোবাইল নম্বর শুধুমাত্র কথা বলার জন্য নয়, বরং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, আধার কার্ড, এবং সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টের সাথে যুক্ত। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার ফোনে থাকা সিম কার্ডটি কতদিন রিচার্জ না করলে কোম্পানি থেকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে? আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা TRAI (টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া)-এর লেটেস্ট নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ তথ্য জানাবো, যাতে ভুল করেও আপনার দরকারি নম্বরটি হারিয়ে না যায়।
১. রিচার্জ শেষ হওয়ার পর প্রথম কী হয়?
"যখন আপনার রিচার্জ প্ল্যানের ভ্যালিডিটি শেষ হয়ে যায়, তখন কোম্পানি সাথে সাথেই আপনার আউটগোয়িং কল এবং মেসেজ পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। এর ঠিক ৭ থেকে ১৫ দিন পর (কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী এটি আলাদা হয়), আপনার ইনকামিং কল আসাও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় আপনার সিমটি শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক সিগন্যাল দেখায়, কিন্তু ইনকামিং বা আউটগোয়িং কোনো কাজই করে না।"
২. TRAI-এর ৯০ দিনের নিয়ম (The 90-Day Rule):
"অনেকেই ভাবেন ইনকামিং বন্ধ হয়ে যাওয়া মানেই সিম কার্ড বাতিল। কিন্তু না! TRAI-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সিম কার্ডে যদি টানা ৯০ দিন (প্রায় ৩ মাস) কোনো 'অ্যাক্টিভিটি' না থাকে (অর্থাৎ কোনো কল, মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহার না হয়), তবেই টেলিকম কোম্পানি সেই সিমটিকে ডিঅ্যাক্টিভেট বা নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে।"
৩. ২০ টাকার ম্যাজিক (Automatic Retention Scheme):
"এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম আছে। ৯০ দিন পার হওয়ার পর যদি আপনার সিমের মেইন ব্যালেন্সে (Main Balance) ২০ টাকা বা তার বেশি থাকে, তবে কোম্পানি আপনার সিমটি সাথে সাথে বন্ধ করবে না। এর বদলে, তারা আপনার ব্যালেন্স থেকে ২০ টাকা কেটে নেবে এবং আপনার সিমের ভ্যালিডিটি আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়িয়ে দেবে। যতদিন আপনার ব্যালেন্সে কমপক্ষে ২০ টাকা থাকবে, এই স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চলতে থাকবে এবং আপনার সিম বেঁচে যাবে।"
৪. চিরতরে সিম বন্ধ এবং ১৫ দিনের গ্রেস পিরিয়ড:
"যদি আপনার ব্যালেন্সে ২০ টাকার কম থাকে এবং ইনঅ্যাক্টিভ বা অব্যবহারের সময় ৯০ দিন পেরিয়ে যায়, তাহলে আপনার সিমটি ডিঅ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। তবে ঘাবড়াবেন না! সিম ডিঅ্যাক্টিভেট হওয়ার পরেও কোম্পানি আপনাকে ১৫ দিনের একটি 'গ্রেস পিরিয়ড' (Grace Period) দেয়। এই ১৫ দিনের মধ্যে আপনি কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে বা ২০ টাকা ফি দিয়ে নম্বরটি পুনরায় অ্যাক্টিভ বা চালু করতে পারবেন।"
৫. চিরস্থায়ীভাবে নম্বর হারানো (Number Recycling):
"এই ১৫ দিনের গ্রেস পিরিয়ডের মধ্যেও যদি আপনি সিম চালু করার কোনো ব্যবস্থা না নেন, তাহলে আপনার নম্বরটি চিরতরে টার্মিনেট বা বাতিল হয়ে যাবে। এরপর সেই একই নম্বর টেলিকম কোম্পানি নতুন সিম প্যাক হিসেবে বাজারে অন্য কোনো গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে দেবে। আর একবার অন্য কারো নামে সিম চালু হয়ে গেলে, আপনি হাজার চেষ্টা করেও পুরোনো নম্বরটি আর ফেরত পাবেন না।"
*(নোট: ভিডিওতে আপনি উল্লেখ করতে পারেন যে, Jio, Airtel, এবং Vi-এর ক্ষেত্রে এই ৯০ দিনের নিয়মটিই কড়াকড়িভাবে মানা হয়। তবে BSNL-এর ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অনেক বেশি, তারা প্রায় ১৮০ দিন পর্যন্ত সিম চালু রাখে।)*
"আশা করি আজকের প্রতিবেদন থেকে আপনারা সম্পূর্ণ ক্লিয়ার হয়ে গেছেন যে ঠিক কতদিন রিচার্জ না করলে সিম বন্ধ হয়ে যায়। তাই দরকারি নম্বরটি বাঁচাতে সময়মতো রিচার্জ করে রাখুন। ইনফরমেটিভ মনে হলে একটি লাইক দিন, বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সতর্ক করুন।
In this video, we have explained the complete TRAI rules regarding SIM card deactivation in 2026. Know exactly how many days a Jio, Airtel, Vi, or BSNL SIM card can remain active without a recharge, the 90-day inactivity rule, and the 15-day grace period to save your mobile number from permanent disconnection.
Tags:
sim deactivation rules 2026, sim deactivate time without recharge, jio sim validity without recharge, airtel sim close after how many days, trai new rules for sim card, vi sim deactivation time, how to reactivate deactivated sim, bengali tech update.



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন